প্রিয় উক্তি......

চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়..........
Showing posts with label দেশ. Show all posts
Showing posts with label দেশ. Show all posts

Tuesday, January 27, 2009

বর্তমান প্যাচালঃ পরিচিত মন্ডলে রাজনৈতিক ডিগবাজি



দেশটা আমাদের দুইভাগে বিভক্ত, আওয়ামী লীগ আর বিএনপি। সব প্রতিষ্ঠান-মাঠ-ঘাট-পুকুর-পার্ক-বাস স্ট্যান্ড-রেল স্টেশন…. সব!

এইবার আওয়ামী লীগ জিতেছে সব ছাপিয়ে, সাভাবিক ভাবেই বানের জলে সবাই ভেসে জমা হচ্ছে আওয়ামী শিবিরে।

লেখা-পড়ার জন্য ছুটিতে বিদেশে এলেও দেশে নিজের চাকরীদাতা প্রতিষ্ঠানের খবরাখবর রাখি। আমার প্রতিষ্ঠানেও আলীগ-বিএনপির দলাদলি আছে। যাহোক, আজ একটা ইমেইল পেলাম সকালে, একজন শ্রদ্ধেয়া কলিগ, যিনি বিএনপি আমলে আমাদের উইং এর বিএনপি সমর্থিত গ্রুপের জেনারেল সেক্রেটারি ছিলেন, উনি এবার প্রতিষ্টানের প্রধান একটি সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত গ্রুপের পক্ষ থেকে দাড়িয়েছেন। ইমেইলটা পেয়ে অনেকক্ষন হাসলাম। হায়রে!

উচ্চশিক্ষিত লোক গুলোই বেশি ধান্দাবাজ, আবার প্রমান হলো। বিএনপি-জামাতের আমলে “বিজা” ব্র্যান্ডের মধু, আর এখন “চৌদ্দমার্কা” মধু, সব কিছুতেই এদের সমান রুচি। গত আওয়ামী আমলে একজন সিনিয়র কলিগ কে দেখেছিলাম “বংগবন্ধু গবেষনা পরিষদ” গঠন করতে। ২০০১ এর পর উনি করলেন “জিয়া গবেষনা পরিষদ”, এর পর জামাতের দিকে ঝুকলেন।

আমি সেই ইমেইলে রিপ্লাই করলাম, “আলোচ্য ব্যাক্তি ছাত্রজীবনে খুব ভালো একজন এ্যাথলেট ছিলেন, উনি ভালো করেই জানেন কিভাবে ট্র্যাকের লেন চেন্জ করতে হয়, আর কিভাবে ডিগবাজি দিতে হয়। তাকে বাহবা দিন…”

খুব মজা পাচ্ছি। একটু আগে আর একটা ইমেইল পেলাম। ইমেইলে সেই নির্বাচনে দাড়ানো অন্য একজন প্রার্থী ভোট চেয়েছেন। হুমম! ডিজিটাল বাংলাদেশ একেই বলে। ইমেইলে ভোট চাওয়া…….

দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, ভাবতেই ভালো লাগছে………।



Monday, January 26, 2009

কারো পৌষ মাস তাই দুদকের আইনজীবিরা আংগুল ফুলিয়া বটগাছ!

আজকের “আমাদের সময়” এ দেখলাম নিউজটা। দুদকের দুর্নীতি বিরোধী জেহাদে সবচে লাভবান নাকি হচ্ছে বিশেষ জজ আদালতে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনজীবিরা (পিপি)।

তারা সবাই কিনেছেন নতুন মডেলের গাড়ি। কেউ কেউ নামে বেনামে ফ্ল্যাট।

আসুন দেখি কেন তারা আংগুল ফুলে বটগাছ:
১। প্রত্যেকের মাসিক বেতন ৭৫০০০ টাকা।
২। দুদকের মামলা নিস্পত্তির জন্য ৫০০০০ টাকা।
৩। দুদকের কোন মামলা খারিজ হয়নি। আর যা রায় হয়েছে তাও পেয়েছো রাষ্ট্রপক্ষ।
৪। অনেক মামলার আসামিই পলাতক। তাই রায় হচ্ছে দ্রুত। টাকাও আসছে দ্রুত।

মামলা বন্টন নিয়েও নাকি চলছে পারসুয়িং, লবিয়িং এর অভিযোগ। কেউ অনেক পাচ্ছে। কেউ মোটেও পাচ্ছে না। কেউ পাচ্ছে ২-৩টা, কেউবা ২০-২২টা। কেউ বা বেশী করে পাচ্ছে পলাতক আসামিদের মামলা। এটা নিয়ে পিপিদের মনেই অনেক ক্ষোভ। পারস্পরিক অবিশ্বাস, অভিযোগ। তবে গাড়ি কেনার টাকার উতস জিগ্গেস করলে সব শেয়ালের এক রা “ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে কিনেছি”।

ফ্ল্যাট কেনার কথা সবাই এড়িয়ে গিয়ে আবার একাত্মতা দেখিয়েছেন।

আহা! কারো সর্বনাশ, কেউ ফুলে বটগাছ। মানুষের পাপের দালালী করা এই শালারা এই সুযোগেও হাতিয়ে নিচ্ছে অনেক টাকা। আগে করতো আম্বা-বিম্পি-জামাত। এখন মুআ-ফুআর দুদক। লবিয়িং উনারা এখানেও ভুলতে পারেননি। আশাকরি সামনের দিন গুলোতেও উনাদের এই পারফরমেন্সে ভাটা পড়বে না।

চলুক। মেথররা না থাকলে ময়লা পরিস্কার করবে কে?

খবরের লিন্ক: ওয়ান ইলেভেনের ফায়দা নিচ্ছেন বিশেষ আদালতের পিপিরা!